পিছু ডাকে. . হারানো বিকেল. . পিছু ডাকে. . হেমন্তের সকাল. . ঐ রাঙা মাটির যে পথ তোর বাড়ির সামনে মেশে. . ঐ পথে পাবি না আমার চিহ্ন. . দেখা হবে তারার মাঝে. . থাকবো . . বাঁচবো . . নিজেই নিজের জন্য. .
ফিউসবক্স ( Sequel of কলেজস্ট্রিট) - Dip Saha Chowdhury( # রোদ্দুর ) সাইকোলজি বলে যে, আপনি রোজ যার কথা মনে করে আপনি ঘুমোতে যান তিনি এক হয় আপনার দুঃখের কারন বা সুখের সাথী। কিন্তু সাইকোলজি এটা বলে না যে প্রত্যেকের জীবনে এমন পরিস্থিতি অনেকবার আসে যে যেখানে সে ঠিকই করতে পারে না যে সামনের মানুষটি কই আদৌ তার জীবনে সুখের বার্তাবাহক হবেন কি না? আর তখন ঘুমটাই আসে না। গল্পটি শুরু করার আগে একটা ছোট্ট অনুরোধ আছে, Maroon-5 ব্যান্ডের “She Will Be Loved” গানটি একটু ডাউনলোড করে রাখবেন। কারনটি অবশ্য গল্পের শেষে বুঝবেন। অবশ্য এটি গল্প না “কলেজস্ট্রিট” গল্পের সিক্যুয়েল সেটা আমিও জানি না। তো শুরু করা যাক। কলেজস্ট্রিটে একটি মেয়ের সাথে ধাক্কা লাগে । তারপর একটি...
শারণ্যা - রোদ্দুর -- এবারের পূজোটা ঠিক কেমন জানো আলাদা না? কফিহাউসে কফিতে চুমুক দিতে দিতে বলে রিমন। -- তা ঠিক! ধুর মুখ গুলো সব ঢাকা মাস্কে। কাউকে চেনাই যায় না। তবে ভাই এই ভাইরাসের বাজারে মুখ না দেখানোই ভালো। জয় মা। -- ধুর আমার দ্বারা প্রেমটা মনে হয় আর হবে না। -- প্রেম ছেড়ে দে ভাই। প্রেম করলেই বা* করোনা চুমু দিয়ে দেবে। তারপর পটকে গেলে স্বর্গে ঊর্বশি, মেনোকা এরাও পাত্তা দেবে না। -- পাত্তা পেয়ে কি হবে। আমি তো আবার শিব-শংকর। বৈরাগী স্বভাবটা কোনো দিনই যাবে না। -- তা ঠিকই। ঠিক। হঠাৎ পাশ দিয়ে চলে যায় সুন্দর পার্ফিউম মাখা একটা অবয়ব। গন্ধে মোহিত হয়ে ওঠে রিমন। কেমন যেন নেশা লাগানো গন্ধটা। গন্ধটা কাটতে কাটতেই হাতে একটা টান লাগে রিমনের। কি ব্যাপার। মেয়েটার আঁচলটা আটকে গেছে তার হাতের একটা বেসলেট এ থাকা রুদ্রাক্ষতে। --- সরি সরি। আসলে বুঝতে পারিনি। আঁচলটা ছাড়িয়ে নেয় মেয়েটি। কিন্তু ততক্ষণে মেয়েটার চোখে আটকে গেছে রিমন। চোখ দুটো যেন কথা বলে। -- কি রে। শারণ্যা! আয়। ডেকে ওঠে তার বান্ধবীরা। ততক্ষণে রোহিত রিমনকে বলছে- -- ও আমার ভোলানাথ। এবার তুমি ঘোর থেকে বেরিয়ে এসো। তুমি জানো না তুমি বৈরাগী। --- ...
৩১ শে মার্চ - Dip Saha Chowdhury (#রোদ্দুর) ৩ বছর পর দেশে ফিরছে সৃজন। শুধু কি দেশে ?? তার শহরে. . চেনা শহর কলকাতায়। এ শহরকে সে খুব মিস করেছে বিদেশে থাকাকালিন। সৃজন, সৃজন দত্ত । কলকাতার বড়বাজারে জন্ম, বেড়ে ওঠা, সবকিছুই এই এলাকাকে ঘিরে। বাবা সন্ময় দত্ত বড়োবাজারের এক ওষুধের দোকানের মালিক। কলকাতা শহরে জন্মেও সৃজন আর কয়েকজন ছেলেদের থেকে আলাদা। তথাকথিত আধুনিকতা তাকে ততোটা প্রভাবিত করেনি। ছোটোবেল া থেকে পড়াশুনা আর গীটার এই তার শখ। যাদবপুর থেকে পড়া শেষ করে MBA করতে সে পাড়ি দেয় সেই লন্ডন। তারপর আজ সে ফিরছে। বিমানবন্দর থেকে বেড়িয়ে বাড়ির কাউকে না দেখে অবাক হয়নি সে কারন কেউ জানেই না সে আসছে। বাবাকে সারপ্রাইজ দেবে বলে সে কাউকে জানায় নি। গেটে দাঁড়িয়ে একটা ট্যাক্সিকে যেতে দেখে সে ডাক দিলো ও ভাই যাবে?? বড়োবাজার? হাঁ সাব যাব। চলো! ট্যাক্সিতে উঠেই তার মনে এক আনন্দ উঁকি মারতে লাগলো। কতদিন সে তার বন্ধুদের দেখে নি। আজ সবাই মিলে বিকালে গল্প করবে। আকাশ এখন কি করছে কে জানে?? শেষ কথা হয়েছিলো ৯ মাস আগে ফেসবুকে। তারপর আর দেখা যায়নি ওকে। বুম্বা বলেছিল য...
Comments
Post a Comment